বিজ্ঞপ্তি   

উপ-পরিচালক, মৎস্য ও প্রানিসম্পদ তথ্য দপ্তর এবং সচিব, মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রনালয়-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি
... বিস্তারিত
শুরু » মুরগির বাচ্চা পালন
মুরগির বাচ্চা পালন

মুরগির বাচ্চা পালন

ভূমিকাঃ

দেশের অধিকাংশ মানুষ নিজের বসতবাড়িতেই মুরগির বাচ্চা পালন করে থাকেন এখনও পুরোনো পদ্ধতিতে মুরগির বাচ্চা পালন করা হচ্ছে তবে বর্তমানে জনসাধারণের মাঝে উন্নত পদ্ধতিতে মুরগির বাচ্চা পালনে আগ্রহের সৃষ্টি হচ্চে যাদের আবাদি জমি বলতে কিছুই নেই তাঁরা বসতবাড়িতে অল্প শ্রমে, স্বল্প পুঁজিতে, অবসর সময়ে মুরগির বাচ্চা পালন করতে পারেন সম্ভ্রান্ত পরিবারের অনেকেই অবশ্য মুরগির বাচ্চা পালন শুরু করেছেন এভাবে বাচ্চা পালনের দিকে সবাই মনযোগী হলে একদিকে পরিবারের আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা মেটানো যাবে, অপরদিকে বাড়তি আয়েরও সুযোগ হবে তবে বাচ্চা পালন করার পূর্বে বাচ্চা পালন সম্পর্কে বিজ্ঞানভিত্তিক কিছু জ্ঞান থাকলে অনেক উন্নতভাবে ঐগুলি পালন করা সম্ভব হয়

মুরগির বাচ্চা পালতে যা জানতে হয়ঃ

বাচ্চার শরীরে লোম পড়ে নতুন পালক না গজানো পর্যন্ত তারা শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রন করতে পারে না ডিম থেকে বাচ্চা ফুটার পর - সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত তাপের ব্যবস্থাসহ বাচ্চাকে সর্বাধিক আরামের নিশ্চয়তা বিধান করতঃ বাচ্চা পালনের নামই ব্রুডিং যে সরঞ্জামের মাধ্যমে তাপের ব্যবস্থা করা হয় তাকে ব্রুডার বলা হয়

ব্রুডিং যেভাবে করা হয়ঃ

ব্রুডিং দুভাবে করা যায় যথাঃ

() প্রাকৃতিক ব্রুডিং () কৃত্রিম ব্রুডিং

() প্রাকৃতিক ব্রুডিং: মুরগির সাহায্যে ব্রুডিং করে বাচ্চা পালন করার পদ্ধতিকে প্রাকৃতিক ব্রুডিং বলা হয় একটু লক্ষ করলেই দেখা যায় বাচ্চাগুলো মায়ের পেটের নিচে বা ডানার ভিতরে গিয়ে মাঝে মাঝে জমা হয় এভাবে মায়ের উষ্ণ সান্নিধ্যে বাচ্চাগুলো প্রয়োজনীয় তাপ সংগ্রহ করে থাকে একটি কুচ্চে মুরগি দিয়ে ১৫-১৬টি বাচ্চা ব্রুডিং করা যায়

() কৃত্রিম ব্রুডিং: মুরগির বাচ্চা সাধারণতঃ যে পরিমাণ তাপে আরাম বা সাচ্ছন্দ বোধ করে সে তাপ কৃত্রিম উপায়ে সৃষ্টি করতে হয় ইহাতে কুচ্চে মুরগির পরিবর্তে ব্রুডার ব্যবহৃত হয় ব্রুডার হিসেবে বৈদ্যুতিক বাতি, কেরোসিন বাতি, গ্যাসের বাতি, হারিকেন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়

কৃত্রিম পদ্ধতিতে ব্রুডিং যেভাবে হয়ঃ

কৃত্রিম পদ্ধতিতে ব্রুডিং দুভাবে করা যায়ঃ

() মেঝেতে বাচ্চা ব্রুডিং করা () ব্যাটারী বা খাঁচায় বাচ্চা ব্রুডিং করা

মেঝেতে বাচ্চা ব্রুডিং করাঃ

বাচ্চাকে মেঝেতে ব্রুডিং করতে হলে ঘরের মেঝে পাকা শুকনো হওয়া প্রয়োজন ব্রুডিার হাউজ বা বাচ্চার ঘরে বাচ্চা আনার অন্ততঃ দুই সপ্তাহ/১৪ দিন আগে ঘর ঘরের যন্ত্রপাতি যেমন: ব্রুডার, খাদ্যের পাত্র, পানির পাত্র, বাচ্চার গার্ড ইত্যাদি ভালভাবে পরিস্কার করে অনুমোদিত জীবাণুনাশক দ্বারা জীবাণু মুক্ত করতে হবে প্রাথমিক অবস্থায় বাচ্চাগুলোকে খাবার, পানি তাপের উৎসের কাছাকাছি রাখার জন্য হার্ডবোর্ড দ্বারা গোলাকার চিকগার্ড তৈরি করে তার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্রুডার, খাবার পাত্র পানির পাত্র স্থাপন করতে হবে

অনেক সময় বিশেষতঃ গরমের সময় হার্ডবোর্ডের পরিবর্তে তারের নেট দ্বারা চিকগার্ড তৈরি করা যায় চিকগার্ডের উচ্চতা কম্পক্ষে ১৫ ইঞ্চি থেকে ১৮ ইঞ্চি হওয়া দরকার ফুট থেকে ফুট ব্যাসের িএকটি চিকগার্ডের ভিতর ৩০০-৪০০টি বাচ্চা প্রাথমিকভাবে ব্রুডিং করা যাবে বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে বেশি জায়গা দরকার তািই চিকগার্ডের ভিতরকার জায়গা অর্থাৎ ব্রুডার গার্ডের পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে - সপ্তাহের মধ্যে ব্রুডার গার্ড উঠিয়ে দিয়ে বাচ্চা যাতে সমস্ত ঘরে স্বাচ্ছন্দে ঘুরে বেড়াতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে বাচ্চাদের পানরি পাত্র এবং খাদ্যের পাত্র পরিবর্তন করে লম্বা খাদ্যের পাত্র বা ঝুলানো খাদ্যের পাত্র পানির পাত্র দিতে হবে

খাঁচাতে বাচ্চা ব্রুডিং:

খাঁচাতে ব্রুডিং করার সময় মেঝেতে বাচ্চা ব্রুডিং এর মতই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয় তবে প্রাথমিক অবস্থাতে খাচার উপরে চাটাই বিছিয়ে তারপরে বাচ্চার বেষ্টনী তৈরি করা ভাল

ব্রুডিং এর সময় ঘরের তাপমাত্রা আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণঃ

ব্রুডারের সাহায্যে কৃত্রিমভাবে তাপ দিতে হয় সময় ব্রুডারের নিচে মেঝে থেকে ইঞ্চি উপরে ৯৫° ফাঃ তাপমাত্রা থাকতে হবে বাজারে বিভিন্ন ধরনের ব্রুডার পাওয়া যায় তবে সহজভাবে বিদ্যুতের বাল্বের সাহায্যে তাপের ব্যবস্থা করা যায় ১০০ ওয়াটের ৪টি বাল্ব দ্বারা ৩০০-৪০০টি বাচ্চাকে ভালভাবে ব্রুডিং করা যায় বাচ্চা আনার - দিন পূর্ব থেকে ব্রুডিং ব্যবস্থা চালু করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে তা না হরে বাচ্চা ব্রুডারে দেওয়ার পর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের নিশ্চয়তা থাকবে না যথাযথ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের অভাবে অনেক বাচ্চা মারাও যেতে পারে

ব্রুডার হাউজে প্রথম সপ্তাহে সাধারণতঃ ৯৫° ফাঃ তাপমাত্রা দিয়ে ব্রুডিং শুরু হয় এই তাপমাত্রা পর্যায়কক্রমে প্রতি সপ্তাহে ° ফাঃ করে কমিয়ে আনা হয় যেমনঃ

সপ্তাহ

১ম

২য়

৩য়

৪র্থ

৫ম

৬ষ্ঠ

তাপমাত্রা

৯৫°

৯০°

৮৫°

৮০°

৭৫°

৭০°

এভাবে বাচ্চা পারিপার্শ্বিক আবহওয়ার সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে না নেয়া পর্যন্ত কৃত্রিম তাপের ব্যবস্থা করতে হবে এখানে উল্লেখ্য যে,উক্ত পর্যায়কক্রমিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ একটি ধারণা মাত্র প্রকৃতপক্ষে বাচ্চা আরামদায়ক অবস্থায় আছে কিনা তার উপর ভিত্তি করে তাপমাত্রা বাড়াতে কমাতে হবে তাপমাত্রা কম-বেশি হলে বাচ্চার বিচরণ বিন্যাসও পরিবর্তিত হয় নিম্নে বাচ্চার বিন্যাস চিত্র দেয়া হলঃ

অতিরিক্ত গরমঃ

অবস্থাতে বাচ্চা তাপের উৎস থেকে দূরে অর্থাৎ ব্রুডার গার্ডের কাছাকাছি অবস্থান করবে এবং বাচ্চা হা করে শ্বাস নিবে বাচ্চার খাদ্য গ্রহণ অব্স্থায় কমে যায় অবস্থায় বাচ্চার আরামদায়ক অবস্থান সৃষ্টির জন্য তাপমাত্রা কমানো প্রয়োজন ব্রুডারে যদি বৈদ্যুতিক বাল্ব ব্যবহার করা হয়, তাহলে ব্রুডারে বাল্বের সংখ্যা কমিয়ে অথবা ব্রুডার উঁচুতে উঠিয়ে তাপমাত্রা কমানো যেতে পারে

অতিরিক্ত ঠান্ডাঃ

অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে বাচ্চাগুলো তাপের উৎসের নীচে এসে জড়ো হবে এবং চি চি করে ডাকাত থাকবে অনেক সময় বাচ্চাগুলো ব্রুডারের নীচে গাদাগাদি করে বা একস্তর বাচ্চার উপরে আরেকস্তর বাচ্চা জমা হওয়ার (piling up) কারণে শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায় বাচ্চাগুলো ব্রুডারের নীচেথাকায় খাদ্য পানি গ্রহণ করতে পারে না ফরে বাচ্চাগুলো তাড়াতাড়ি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়

অবস্থায় চিকগার্ডের মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রুডারে বাল্ব সংযোজন বা ব্রুডারে যতদূর সম্ভব নীচে নামানো বা ঠান্ডা বআতাস প্রবেশ বন্ধ করতে হবে

বাচ্চার জন্য আরামদায়ক অবস্থাঃ

অবস্থায় বাচ্চাগুলো গার্ডের মধ্যে সর্বত্র ছড়িয়ে থাকবে এবং অল্প কিছু বাচ্চা ব্রুডারের নীচে থাকবে খাদ্য পানি গ্রহণ স্বাভাবিক থাকবে

বাচ্চাগুলোর প্রথম খাদ্যৎ

বাচ্চা খামারে পৌঁছানোর পর পরই প্রথম গ্লুকোজ, ওয়াটার সলিউবল ভিটামিন এবং ভিটামিন সি মিশ্রিত পানি(প্রতি লিটারে ২৫ গ্রাম গ্লুকোজ, গ্রাম ভিটামিন জযডগপ, এবং গ্রাম ভিটামিন সি) চিকগার্ডের পানির পাত্রে সরবরাহ করতে হবে অতপর চিকগার্ডের ভেতরে বাচ্চা ছাড়তে হবে প্রয়োজনে বাচ্চা ছাড়ার পূর্বে বাচ্চার ঠোঁট গ্লুকোজ ভিটামিন মিশ্রিত পানিতে ডুবিয়ে পানি পান করাতে হবে একানে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে, বাচ্চা ছাড়ার পর কম্পক্ষে ঘন্টা ভিটামিন মিশ্রিত পানি পান করার পর বাচ্চার পরিপাকতন্ত্র সচল হলে প্রথম দিন গম বা ভূট্টার দানা বা বাচ্চার জন্য তৈরিকৃত খাদ্যের যোগান দেয়া যেতে পারে তারপর স্টারটার রেশন সরবরাহ করা হয় স্টারটার রেশনে শতকরা ১৬-১৭ ভাগ প্রোটিন ২৮০০-২৯০০ কিলো ক্যালরি বিপাকীয় শক্তি (ক্যালরি/কেজি) থাকেপ্রথম সপ্তাহে প্রতিটি বাচ্চার জন্য গড়ে - গ্রাম খাবার দরকার হয়

বাচ্চার বাড়ন্ত অবস্তায় (-১৮ সপ্তাহ বয়স) ব্যবস্থাপনাঃ

েএকটি ডিম পাড়া বাচ্চার ভিত্তি স্থাপিত হয় বাড়ন্ত অবস্থা থেকে একটি মুরগি থেকে কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী উৎপাদন পেতে হলে বাড়ন্ত অবস্থো থেকেই সেভাবে তৈরি করতে হবে যাতে করে ডিম পাড়া অবস্থায় মজবুত শারীরিক কাঠামোর মধ্যে আনুপাতিক মাংসের সমন্বয় থাকে বাড়ন্ত বয়সে খাদ্য, প্রতিষেধক আলোক ব্যবস্থা মুখ্য ভূমিকা পালন করে

মুরগির খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ

নিচের চারটি রেশনের ফলাফল পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে এদের কার্যকারিতা অত্যন্ত ভাল

ক্রমিক নং

উপকরণ

স্টারটার রেশন

গ্রোয়ার রেশন

পুলেট রেশন

লেয়ার রেশন

পরিমাণ (কেজি)

পরিমাণ (কেজি)

পরিমাণ (কেজি)

পরিমাণ (কেজি)

০১

গম

৩৫. কেজি

২২ কেজি

২৩ কেজি

১৬ কেজি

০২

ভূট্টা

১৬. কেজি

৩০ কেজি

৩৬ কেজি

৪০ কেজি

০৩

সয়াবিন

২৭. কেজি

২৮ কেজি

১৭ কেজি

২২ কেজি

০৪

চাউলের কুঁড়া

১৪. কেজি

১৫ কেজি

১৯. কেজি

১৪. কেজি

০৫

ঝিনুক চূর্ণ

.৫০ কেজি

. কেজি

. কেজি

. কেজি

০৬

ডি সি পি

.৫০ কেজি

. কেজি

. কেজি

. কেজি

০৭

ভিটামিন প্রিমিক্স

.২৫ কেজি

. কেজি

.২৫ কেজি

.২৫ কেজি

০৮

লাইসিন

.১৫ কেজি

.১২৫ কেজি

.১০ কেজি

.১০ কেজি

০৯

মিথিওনিন

.১৫ কেজি

.১২৫ কেজি

.১০ কেজি

.১০ কেজি

১০

খাবার লবণ

.২৫ কেজি

.২৫ কেজি

.২৫ কেজি

.২৫ কেজি

১১

সয়াবিন তেল

.৫০ কেজি

-

-

-

১২

ক্যালসিয়াম কার্বনেট

-

-

-

. কেজি

মোটঃ

১০০ কেজি

১০০ কেজি

১০০ কেজি

১০০ কেজি

উপরোক্ত রেশনে যে সমস্ত উপাদান ব্রবহার করা হয়েছে তা সময়ে, আবহাওয়া এবং ঋতু পরিবন্তন এবং সহজলভ্যতার উপর নির্ভর করে এছাড়াও খামারিগণ বাজারে প্রাপ্ত প্রস্তুতকৃত গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য বয়স অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন

মুরগির জন্য প্রস্তাবিত ভ্যাক্সিনেশন কর্মসুচি

ভ্যাক্সিন কর্মসূচি পোলট্রি ডিজিজ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে করা উচিত

রোগের নাম

টিকার নাম

টিকা প্রয়োগের বয়স

টিকার মাত্রা প্রয়োগ পথ

প্রতি ভায়ালের সরবরাহ মাত্রা

. মারেক্স

মারেক্স টিকা

বাচ্চা মুরগি দিন বয়সে

২০০ সি.সি ডাইল্যুয়েন্টের সাথে গুলানোর পর . এম.এল মাংসে বা চামড়ার নীচে

১০০০ মাত্রা টিকা+ ২০০ সি.সি ডাইল্যুয়েন্ট

. রাণীক্ষেত

বাচ্চা মুরগির রাণীক্ষেত টিকা (বি.সি.আর. ডি. ভি)

- দিন বয়সে ১ম বার এবং জন্মের ২১ দিন বয়সে ২য় বার

০৬সি.সি ডিষ্টিল্ড ওয়াটারে মিশানোর পর মাত্র এক ফোটা এক চোখে

১০০ মাত্রা টিকা

. পিজিয়ন পক্স

পিজিয়ন পক্স টিকা

বাচ্চা মুরগি -১০ দিন বয়সে

০৩ সি.সি ডিষ্টিল্ড ওয়াটারে মিশানোর পর বাইফারকেট নিডেল দ্বারা পাখার নীচে এক ফোটা খুচিয়ে প্রয়োগ করতে হয়

২০০ মাত্রা টিকা

. গামবোরো

বি..ইউ ৪০৪

১০-২১ দিন বয়সে ১ম ডোজ এবং দিন পর ২য় ডোজ

৫০ সি.সি ডাইল্যুয়েন্টের সঙ্গে মিশানোর পর এক চোখে এক ফোটা মাত্র

১০০০ মাত্রা টিকা + ৫০ সি.সি ডাইল্যুয়েন্ট

. ফাউল পক্স

ফাউল পক্স টিকা

২০ দিন বা তদুর্ধ বয়সের মুরগির বাচ্চা

০৩ সি.সি ডিষ্টিল্ড ওয়াটারে মিশানোর পর বাইফারকেট নিডেল দ্বারা পাখার নীচে একাধিকবার খুচিয়ে প্রয়োগ করতে হবে

২০০ এম.এল মাত্রা টিকা

. বড় মুরগির রাণীক্ষেত

বড় মুরগির রাণীক্ষেত টিকা (আর.ডি.ভি.)

মাস বয়সে ১ম কার এবং প্রতি মাস পরপর বুষ্টার ডোজ

১০০ সি.সি ডিষ্টিল্ড ওয়াটারে মিশানোর পর ১ এ.এল মাংসপেশীতে

১০০ মাত্রা টিকা

. ফাউল টাইফয়েড/সালমোনেলোসিস

সালমোনেলা ফাউল টাইফয়েড টিকা

মুরগি - সপ্তাহ বয়সে ১ম ডোজ, সপ্তাহ পর ২য় ডোজ, মাস বয়সে ৩য় ডোজ এবং প্রতি মাস পরপর বুষ্টার ডোজ

. এম.এল চামড়ার নীচে

২০০ মাত্রা টিকা

. মুরগির কলেরা

ফাউল কলেরা টিকা

মাস বয়সে মুরগিতে ১ম বার এবং প্রতি মাস পরপর বুষ্টার ডোজ

) অয়েল এডজুভেন্ট টিকাঃ এম.এল চামড়ার নীচে ২১ দিন পর বুষ্টার ডোজ

) এলাম অধঃপতিত টিকাঃ একই মাত্রার মাংসে প্রয়োগ করতে হয়

১০০ মাত্রা টিকা